Palestine Flag We support Palestine — Standing for justice, freedom, and human rights.

নবম শ্রেণি ডিজিটাল প্রযুক্তি: ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক কী?

বর্তমানের অনলাইন ভিত্তিক এই পৃথিবীতে প্রায় প্রত্যেকেরই অনলাইনে বিভিন্ন একাউন্ট থাকে। যেমন ফেসবুক একাউন্ট, গুগল বা হুয়াটসঅ্যাপ একাউন্ট। এই একাউন্টগুলোতে প্রবেশের জন্য পাসওয়ার্ডের প্রয়োজন হয়। এই পাসওয়ার্ড সাধারণত শুধু যার একাউন্ট তিনি জেনে থাকেন। 

আমরা প্রায় সবাই হ্যাক শব্দটি শুনেছি। একজনের একাউন্ট অন্য কেউ একজন হ্যাক করে নিয়েছে বলতে আমরা বুঝি যার একাউন্ট তার পারমিশন ছাড়াই পাসওয়ার্ড অনুমান করে বা কোনোভাবে চেষ্টা করে পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়া। এই হ্যাকিংয়েরই একটি পদ্ধতি ব্রুট ফোর্স এটাক।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক কী?


ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক (Brute Force Attack) হলো একটি সাইবার আক্রমণের পদ্ধতি যেখানে হ্যাকার সম্ভাব্য সমস্ত পাসওয়ার্ড বা ক্রেডেনশিয়াল একটির পর একটি পরীক্ষা করে একটি সিস্টেম, অ্যাকাউন্ট বা এনক্রিপ্টেড ডেটায় প্রবেশ করার চেষ্টা করে। এই পদ্ধতিতে আক্রমণকারী ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড, ব্যবহারকারীর নাম বা কী সমন্বয় চেষ্টা করে যতক্ষণ না সঠিকটি পাওয়া যায়।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক কীভাবে করে?

১. হ্যাকার প্রথমে কোন একাউন্ট বা সিস্টেমে প্রবেশ করে তা ঠিক করে নেয়।
২. সফটওয়্যার বা স্ক্রিপ্ট/প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে সম্ভাব্য পাসওয়ার্ডের একটি তালিকা তৈরি করে বা এলোমেলো সম্ভাভ্য পাসওয়ার্ড তৈরি করে।
৩. প্রতিটি পাসওয়ার্ড বা ক্রেডেনশিয়াল সিস্টেম ইনপুট দিয়ে একাউন্ট বা সিস্টেমে প্রবেশের জন্য চেষ্টা করে। এই চেষ্টা করাটা প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে বট দিয়ে করা হয় সাধারণত, হাজার হাজার পাসওয়ার্ড দিয়ে চেষ্টা করা হয় অল্প সময়ের মধ্যেই।
৪. সঠিক পাসওয়ার্ড মিলে গেলে সিস্টেম বা অ্যাকাউন্টে সে প্রবেশ করতে পারে। এটাই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাকের ধরন কী কী হতে পারে?

অনেক ধরনেরই ব্রুট ফোর্স হতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন ক্যাটাগোরি করা যেতে পারে। নিচে ৪টি ধরন উল্লেখ করা হলো: 

1. সাধারণ ব্রুট ফোর্স: সম্ভাব্য প্রতিটি পাসওয়ার্ড বা কী পরীক্ষা করা হয়।
2. ডিকশনারি অ্যাটাক: একটি আগে থেকে ঠিক করে রাখা তালিকা  বা ডিকশনারি থেকে পাসওয়ার্ড চেষ্টা করা হয়।
3. ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং: পূর্বে লিক হওয়া পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়।
4. রিভার্স ব্রুট ফোর্স: একটি সাধারণ পাসওয়ার্ড নিয়ে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর নাম পরীক্ষা করা হয়।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায় কী বা কীভাবে ব্রুট ফোর্স থেকে বাঁচা যায়?

  • মজবুত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। যত লম্বা এবং জটিল হবে, ব্রুট ফোর্স থেকে তত নিরাপদ থাকবে। পাসওয়ার্ডের মধ্যে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, বিশেষ চিহ্ন যেমন @, !, & এগুলো ব্যবহার করা, সংখ্যা ব্যবহার করা উচিত। এই সবকিছু মিলিয়ে পাসওয়ার্ড হলে তা অনেক বেশি নিরাপদ থাকবে। যেমন @amarpa$word2makekenob0lbo একটি মজবুত পাসওয়ার্ড।
  • Two-Factor Authentication চালু করা। ফেসবুক, গুগলসহ প্রায় সব সার্ভিসেই এই সুযোগটি থাকে। এখানে আপনি নতুন কোনো ডিভাইস বা অ্যাপ থেকে লগ ইন করতে গেলে তারা আপনার ফোন নাম্বার বা ইমেইলের মাধ্যমে একটি কোড দিয়ে ভেরিফাই করবে। এটি ছাড়া লগ ইন করতে পারবে না হ্যাকার।
  • সিস্টেমে বারবার ব্যর্থ লগইনের পর অ্যাকাউন্ট লক ব্যবস্থা রাখা।
  • ক্যাপচা বা রেট লিমিটিং চালু করা যা বটকে আটকে দিতে পারবে।

ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক সাধারণত সময়সাপেক্ষ এবং শক্তিশালী এনক্রিপশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর নয়। তবে দুর্বল বা ছোট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে এটি সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আরও দেখুন: এমন একটি প্রোগ্রাম ডিজাইন কর, যা প্রথমে একটি ভ্যারিয়েবলকে পূর্ণসংখ্যা হিসেবে ইনপুট গ্রহন করবে। আরেকটিকে দশমিক যুক্ত সংখ্যা হিসেবে এবং সংখ্যা দুটিকে এবং তাদের ডাটাটাইপ প্রিন্ট করবে

Md. Rabiul Mollah

Assalamu Alaikum. My name is Md Rabiul Mollah, and I'm one of the founders of Pathgriho Network. I am currently pursuing my Master's degree in Advanced Engineering Management at BUET. I've completed my B.Sc in Textile Engineering Management from BUTEX and HSC from Notre Dame College, Dhaka. facebookinstagramgithubtwitterlinkedin

Previous Post Next Post